1. admin@bangladeshjatiosangbadiksangsthabjss.com : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ইউপি নির্বাচন: সোনাবাড়ীয়ায় মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ৪ হেভিওয়েট প্রার্থী পাইকগাছায় সড়ক সচেতনতায় নিসচা ইউএনওকে ‘নিরাপদ’ সুভ্যেনির উপহার নুরানী গার্লস একাডেমীর পরিচালক হিসেবে ক্বারী ওসমান গণি আর কতদিন থাকবে! পাইকগাছায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু তিন মাসব্যাপী কর্মসূচি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও জনসচেতনতায় জোর পাইকগাছার মটবাটি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে উন্নয়নে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ জেলা পরিষদের এডিপি ও রাজস্ব তহবিল থেকে বরাদ্দ, সংশ্লিষ্টদের কৃতজ্ঞতা এলাকার সার্বিক উন্নয়নে পেশাজীবী সমাজের সহযোগিতা কামনা করলেন এমপি আফজাল জাগো ফাউন্ডেশনের ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান গাছের ডাল ও জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়ায় দম্পতিকে রক্তাক্ত করার অভিযোগ পাইকগাছায় জলবায়ু সহনশীল ওয়াশ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সুপেয় পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ গৌরনদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডাস্টবিন বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

লিভার টিউমারে স্বামী, চিকিৎসার টাকায় কন্যা সন্তান বিক্রির আকুতি স্ত্রীর

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৯১ বার পঠিত

মোঃ শাহাদাত হোসাইন, নিজস্ব প্রতিনিধি:
খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের রেজাকপুর গ্রামে এক হৃদয়বিদারক মানবিক সংকটের চিত্র সামনে এসেছে। লিভার টিউমারে আক্রান্ত স্বামীর চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পেরে এক মা কন্যা সন্তান বিক্রির মতো চরম সিদ্ধান্তের কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছেন।
সরেজমিনে বুধবার সকালে গিয়ে দেখা যায়,স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো.আত্তাব গাজী (৪৫) দীর্ঘদিন ধরে লিভার টিউমারে ভুগছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে তিনি বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ছোট্ট একটি কুঁড়েঘরে স্ত্রী ও চার কন্যা সন্তান নিয়ে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটছে তার।
পরিবার সূত্রে জানা যায়,রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময় হামলা ও মামলার শিকার হন আত্তাব গাজী।এতে তার ব্যবসা-বাণিজ্য ও আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা এখন পরিবারের পক্ষে সম্পূর্ণ অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আত্তাব গাজী বলেন,“আমি এখন একেবারেই অসহায়। চিকিৎসা করানোর কোনো সামর্থ্য নেই।জীবনের শেষ সময়ে যদি একটু চিকিৎসা পেতাম,হয়তো বাঁচার একটা সুযোগ থাকত।”
তার স্ত্রী শাহিদা খাতুন জানান,প্রতিদিন প্রায় ৫০০ টাকার ওষুধের প্রয়োজন হয়। ধারদেনা করে কোনোভাবে সংসার চালানো হলেও চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন,“চরম অভাবের কারণে স্বামীর চিকিৎসার জন্য বাধ্য হয়ে একটি কন্যা সন্তান বিক্রির কথাও ভাবতে হচ্ছে।”এ সময় পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রতিবেশীরাও এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতি দেখে গভীরভাবে ব্যথিত হন।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।তারা সরকার,প্রশাসন এবং সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন,যাতে একটি অসহায় পরিবার এমন অমানবিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য না হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (বি.জে.এস.এস)
Theme Customized By Shakil IT Park