1. admin@bangladeshjatiosangbadiksangsthabjss.com : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ইউপি নির্বাচন: সোনাবাড়ীয়ায় মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ৪ হেভিওয়েট প্রার্থী পাইকগাছায় সড়ক সচেতনতায় নিসচা ইউএনওকে ‘নিরাপদ’ সুভ্যেনির উপহার নুরানী গার্লস একাডেমীর পরিচালক হিসেবে ক্বারী ওসমান গণি আর কতদিন থাকবে! পাইকগাছায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু তিন মাসব্যাপী কর্মসূচি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও জনসচেতনতায় জোর পাইকগাছার মটবাটি রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে উন্নয়নে ২ লাখ টাকা বরাদ্দ জেলা পরিষদের এডিপি ও রাজস্ব তহবিল থেকে বরাদ্দ, সংশ্লিষ্টদের কৃতজ্ঞতা এলাকার সার্বিক উন্নয়নে পেশাজীবী সমাজের সহযোগিতা কামনা করলেন এমপি আফজাল জাগো ফাউন্ডেশনের ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান গাছের ডাল ও জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়ায় দম্পতিকে রক্তাক্ত করার অভিযোগ পাইকগাছায় জলবায়ু সহনশীল ওয়াশ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সুপেয় পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ গৌরনদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডাস্টবিন বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

সাভারে বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারি জুয়েল মোল্লা: ৩৪ কর্মীর পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১০১ বার পঠিত

গাজী আঃ আলীম, নিজস্ব প্রতিবেদক|
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)ইতিহাসের অন্যতম কঠিন এক সময় ছিল ২০১৭ সাল।বিশেষ করে সাভারের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপির নাম উচ্চারণ করাও যেখানে ছিল দুরুহ,সেখানে বুক টান করে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এক নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তিনি সাভার বক্তারপুরের বিএনপি সমর্থক এবং‘ভাগ্য উন্নয়ন সমবায় সমিতি’র পরিচালক তালুকদার জাহিদুল ইসলাম জুয়েল(জুয়েল মোল্লা)।সেই ঐতিহাসিক ১১নভেম্বর ২০১৭সাল,২০১৭ সালের ১১ নভেম্বরের সেই স্মৃতি আজও সাভারের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মনে দাগ কেটে আছে।তৎকালীন সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মহসিন কাদেরের উপস্থিতিতে চরম প্রতিকূল পরিবেশেও নিজেকে’জিয়ার সৈনিক’হিসেবে পরিচয় দিয়ে রাজপথে স্লোগান দিয়েছিলেন তালুকদার জাহিদুল ইসলাম জুয়েল।
৩৪ কর্মীর মুক্তি ও মানবিক সহায়তা।শুধুমাত্র রাজপথের স্লোগানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না তিনি।ওই সময়ে রাজনৈতিক মামলায় কারাবরণ করা ৩৪ জন দরিদ্র ও অসহায় বিএনপি কর্মীর জামিন ও আইনি লড়াইয়ের সমস্ত ব্যয়ভার এককভাবে বহন করেন জুয়েল।নিজের পকেটের টাকা খরচ করে তাদের জেলমুক্ত করে আনেন তিনি।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জুয়েল মোল্লা বলেন:”আমি আমার সাধ্যমতো এই ৩৪ জন ছেলের জন্য কাজ করেছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব,ইনশাআল্লাহ। তারা বিএনপির দুঃসময়ের প্রকৃত হাতিয়ার ছিল,যারা দলের জন্য মাসের পর মাস জেল খেটেছে।আমার একটাই চাওয়া—সাভারের বড় বড় নেতারা যেন এই নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের একটু খোঁজখবর নেন।তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান,
বিবৃতিতে তিনি আক্ষেপ করে বলেন,দলের কঠিন সময়ে যারা জেল-জুলুম সহ্য করেছেন,তাদের মূল্যায়ন করা জরুরি।কেবল ব্যক্তি উদ্যোগে নয়,দলীয়ভাবেও এই ত্যাগী কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি সাভার বিএনপির উর্ধ্বতন নেতাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।পরিশেষে তিনি’জিয়ার সৈনিকদের’ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করার ডাক দেন।সাভারের সাধারণ কর্মীদের মতে,জুয়েল মোল্লার মতো এমন নিঃস্বার্থ কর্মীরাই দলের মূল শক্তি।দুঃসময়ে জীবন ও সম্পদ বাজি রেখে যারা দলের ঝাণ্ডা ধরে রাখেন,তাদের সঠিক মূল্যায়নই দলকে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (বি.জে.এস.এস)
Theme Customized By Shakil IT Park