
গাজী আঃ আলীম,নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাভারে চাঁদাবাজির অভিযোগে হাতেনাতে দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। তার এই সাহসী পদক্ষেপ এলাকায় জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে এবং অপরাধীদের মাঝে কঠোর বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে একদল চাঁদাবাজের কাছে জিম্মি ছিলেন। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর এমপি দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু নিজে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদের আটক করেন। পরে সাভার মডেল থানা পুলিশ অভিযুক্তদের হেফাজতে নেয়।
এমপি সালাউদ্দিন বাবু স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দিয়েছেন, “এলাকায় কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলদারি বা অরাজকতা বরদাশত করা হবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। অপরাধী যেই হোক, ছাড় দেওয়া হবে না।”
গণঅধিকার পরিষদের অভিনন্দন ও আহ্বান
সালাউদ্দিন বাবুর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদ। শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে শাহালি মাজার সংলগ্ন মসজিদে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মাসুম এমপিকে অভিনন্দন জানান।
তিনি দেশের ৩০০ আসনের সকল সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সাভারের মতো সারাদেশের জনপ্রতিনিধিদের নিজ নিজ এলাকায় চাঁদাবাজি ও অপরাধের বিরুদ্ধে এভাবে সরাসরি মাঠে নামতে হবে।”
মাদকবিরোধী লড়াই ও গঠনমূলক সমালোচনার অঙ্গীকার
মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে মনিরুল ইসলাম মাসুম গুরুত্বারোপ করে বলেন, “তরুণ সমাজকে রক্ষায় মাদক নির্মূল করা জরুরি। তবে শুধু ক্রেতা নয়, বরং যারা মাদকের মূল বিক্রেতা বা গডফাদার, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।”
সরকারের সাথে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি আরও বলেন, “আমরা সরকারের উন্নয়নমূলক ও জনবান্ধব কাজের পাশে আছি এবং তার গুণগান করব। কিন্তু কোনো অন্যায় বা খারাপ কাজ হলে আমরা অবশ্যই তার নিন্দা জানাব এবং জোরালো প্রতিবাদ করব।”
স্থানীয়রা এমপির এই দ্রুত পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন যে, সাভারের এই দৃষ্টান্ত পুরো বাংলাদেশে অপরাধ দমনে নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে।