
গাজী আঃ আলীম, নিজস্ব প্রতিবেদক|
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)ইতিহাসের অন্যতম কঠিন এক সময় ছিল ২০১৭ সাল।বিশেষ করে সাভারের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপির নাম উচ্চারণ করাও যেখানে ছিল দুরুহ,সেখানে বুক টান করে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এক নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তিনি সাভার বক্তারপুরের বিএনপি সমর্থক এবং‘ভাগ্য উন্নয়ন সমবায় সমিতি’র পরিচালক তালুকদার জাহিদুল ইসলাম জুয়েল(জুয়েল মোল্লা)।সেই ঐতিহাসিক ১১নভেম্বর ২০১৭সাল,২০১৭ সালের ১১ নভেম্বরের সেই স্মৃতি আজও সাভারের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মনে দাগ কেটে আছে।তৎকালীন সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মহসিন কাদেরের উপস্থিতিতে চরম প্রতিকূল পরিবেশেও নিজেকে'জিয়ার সৈনিক'হিসেবে পরিচয় দিয়ে রাজপথে স্লোগান দিয়েছিলেন তালুকদার জাহিদুল ইসলাম জুয়েল।
৩৪ কর্মীর মুক্তি ও মানবিক সহায়তা।শুধুমাত্র রাজপথের স্লোগানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না তিনি।ওই সময়ে রাজনৈতিক মামলায় কারাবরণ করা ৩৪ জন দরিদ্র ও অসহায় বিএনপি কর্মীর জামিন ও আইনি লড়াইয়ের সমস্ত ব্যয়ভার এককভাবে বহন করেন জুয়েল।নিজের পকেটের টাকা খরচ করে তাদের জেলমুক্ত করে আনেন তিনি।
সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জুয়েল মোল্লা বলেন:"আমি আমার সাধ্যমতো এই ৩৪ জন ছেলের জন্য কাজ করেছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব,ইনশাআল্লাহ। তারা বিএনপির দুঃসময়ের প্রকৃত হাতিয়ার ছিল,যারা দলের জন্য মাসের পর মাস জেল খেটেছে।আমার একটাই চাওয়া—সাভারের বড় বড় নেতারা যেন এই নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের একটু খোঁজখবর নেন।তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।"নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান,
বিবৃতিতে তিনি আক্ষেপ করে বলেন,দলের কঠিন সময়ে যারা জেল-জুলুম সহ্য করেছেন,তাদের মূল্যায়ন করা জরুরি।কেবল ব্যক্তি উদ্যোগে নয়,দলীয়ভাবেও এই ত্যাগী কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি সাভার বিএনপির উর্ধ্বতন নেতাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।পরিশেষে তিনি'জিয়ার সৈনিকদের'ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করার ডাক দেন।সাভারের সাধারণ কর্মীদের মতে,জুয়েল মোল্লার মতো এমন নিঃস্বার্থ কর্মীরাই দলের মূল শক্তি।দুঃসময়ে জীবন ও সম্পদ বাজি রেখে যারা দলের ঝাণ্ডা ধরে রাখেন,তাদের সঠিক মূল্যায়নই দলকে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করবে।