নুরানী গার্লস একাডেমীর পরিচালক “কুরী মো: ওসমান গণি” কি পৈত্রিক সূত্রে পরিচালক পদ পাইয়াছে
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সদর উপজেলার খাগড়াছড়ি পৌর সদর অন্তর্গত ০৯নং পৌর ওয়ার্ডে অবস্থিত ২৬২২ মৌজা বদনাবতি মামলা নং-১৪২/১৯ মূলে সৃজিত ৫৭৩নং রেজিস্ট্রিকৃত খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে কার্যক্রম কুরী মো: ওসমান গণি নামে ২.০০ (দুই) একর ভূমি বন্দোবস্ত প্রদান করিয়াছেন। যাহার পরিচালক ছিলেন কুরী মুহাম্মদ ওসমান গণি। নুরানী গার্লস একাডেমীর নামীয় জমিতে বসবাসকারীগণ অনেকে একাডেমীর স্ব-ঘোষিত পরিচালক কুরী ওসমান গণির নিকট ইহতে জমি ক্রয় করার উদ্দেশ্যে প্রথমে ১০০৬/সদর/১৮ ও ১০০৭/সদর/১৮ নামজারী মামলার ক্রেতা। জনাব মোঃ আমজাদ হোসেন, (পূল)পিতা-আব্দুর আলী, ২। আব্দুল গণি, পিতা-মৃত সাহাবোয়াত হোসেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, খাগড়াছড়িতে পৌঁছিলে সাবেক এডিসি জনাব চাহেল তেজরী কর্তৃক মামলায়ের কার্যক্রম স্থগিত করিয়াছিলেন। দ্বিতীয় ধাপে নামজারী মামলা নং ৫৫১/সদর/২০, ৭৩৪, ৭৩৫, ৭৩৬/সদর/২০ মূলে ক্রেতাগণ সর্বজনাব মোঃ নুরু উল্লাহ হিরক, মোতালেব হোসেন মিন্টু, ইয়ার হোসেনসহ আরও অনেকে নামজারী মামলার কার্যক্রম চালু করিয়া সদর উপজেলার ভান্ডারী পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, খাগড়াছড়িতে পৌঁছিলে বিক্রেতা ও ক্রেতাগণ নামজারী মামলা নং-১০০৬ ও ১০০৭/সদর/১৮কে অনুসরণ করিয়া ২০২০ সালের নামজারী মামলার কার্যক্রম সম্পাদন করিতে পারে নাই।
নুরানী গার্লস একাডেমীর নামে যদি রেজিস্ট্রেশন না থাকে তবে জেলা প্রশাসন কিসের ভিত্তিতে বহিরাগত অ-পূর্ববর্তী ব্যক্তিকে পরিচালকের স্বীকৃতি দিয়া জন-রেজিস্ট্রিকৃত নুরানী গার্লস একাডেমীর নামে ২.০০(দুই) একর বিশাল সম্পত্তির বন্দোবস্তি কিভাবে দিলেন?
যে কোন নাগরিকের পরিসংখ্যান বাংলাদেশে বর্তমান অথচ কুরী ওসমান গণির মতো ব্যক্তি “সভাপতি বাংলাদেশ ইসলামী একাডেমী, সেক্রেটারী জাতীয় কওমী উলামা মশায়েখ কমিটি, খাগড়াছড়ি জেলা শাখা, (সভাপতি ও পার্বত্য জেলা) মানব কল্যাণ সোসাইটি, পূর্ববর্তী ভূমি রক্ষা কমিটি, কওমী মাদ্রাসা উন্নয়ন ও হেফাজত কমিটি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশ, সাহ ঐতিহ্য পরিবারক নুরানী গার্লস একাডেমী, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি (শাহীপ্রিয় একাডেমীর ২২ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রায়-গঠিত “পার্বত্য ভূমি রক্ষা কমিটি” গঠন শীর্ষক লিফলেটে প্রচারের পার্বত্য ভূমি রক্ষা কমিটি পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশ, মোবাইল: ০১৭১১-০১৫২৫০, ০১৭১১-০১৫২৫০, মহা-সচিব-০১৭১১-০১৫২৫০) উল্লেখিত পদবী ধারী ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন ব্যক্তি হইলে জনবসতি থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠান বিহীন “নুরানী গার্লস একাডেমীর” পরিচালক হিসেবে দাবী করিয়া প্রতিষ্ঠান বিহীন অ-রেজিস্ট্রিকৃত প্রতিষ্ঠানের নামে জমি বন্দোবস্তি প্রাপ্ত হইলে কোন সূত্রে পার্বত্য খাগড়াছড়িতে ২২ দফা দাবি আদায় করা সম্ভব? ২২ দফা দাবি আদায়ের জন্য কুরী ওসমান গণি কোথায় হইতে দায়িত্ব গ্রহণ করিলেন? পার্বত্য ভূমিতে পূর্ববর্তী বসবাসকারী বাসিন্দারা ২২ দফা দাবি আদায়ের খবর জানেন কি? “কারণ সরিষার মধ্যেই কুরী ওসমান গণির মতো ভূত বিস্তার করিতেছে”। পূর্ব কুরী ওসমান গণি প্রশাসনসহ জনমানুষের নেক নজর আকর্ষণের জন্য শাল বাগানের নুরানী গার্লস একাডেমীর বর্তমান সাইনবোর্ড সবুজ বর্ণ এলাকায় তার নামসহানের পার্শ্বে দৃশ্যমান করিয়াছে।
এখন উপযুক্ত সময় কুরী ওসমান গণির মতো ভিজিটিং কার্ডধারী একাডেমীর নামে পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের মাথায় চিন্তা হইতে ভূত তাড়ানো। পার্বত্য খাগড়াছড়িতে আশ্রিত করার জন্য ভিজিটিং কার্ডধারী একাধিক কুরী ওসমান গণি কি যথেষ্ট নয়? ইহাছাড়াও কুরী ওসমান গণি নুরানী গার্লস একাডেমীর পূর্ববর্তী সকল কমিটি উপেক্ষা করিয়া বর্তমানে তথা বার তাহার মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়া বৃহৎ পরিসরে অনেক সদস্যদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করিয়া প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য ২.০০ (দুই) একর জমি বিক্রয় করিয়া তৃতীয় ধাপে নামজারী মামলা নং ৩৬১/সদর/২৫চালু করিয়া গত ২১/০৪/২০২৬ তারিখে রেজিস্ট্রেশন শাখায় রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পাদন করিতে সক্ষম হইয়াছেন। ইতিপূর্বে রেজিস্ট্রিকৃত ২য় কমিটির সভার মাধ্যমে নামজারী মামলা সমূহ কোথায় কিসের অপেক্ষায় রহিয়াছে তাহার ফলাফলও উল্লেখিত হওয়া আবশ্যক নয় কি?
আরও উল্লেখ্য যে, উক্ত নুরানী গার্লস একাডেমীর পরিচালনা কমিটির সভাপতিসহ অন্যান্য পদের ব্যক্তি পরিবর্তন হয় কিন্তু কুরী ওসমান গণির পৈত্রিক সম্পত্তি বলিয়া কথা তাই পরিচালক পদ পরিবর্তন হয় না?