
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:নু রানী গার্লস একাডেমীর পরিচালক ক্বারী মুহাম্মদ ওছমান গণি সরকারের পুনর্বাসিত প্রজা হইলে কোন্ জেলা হইতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় কোন্ মৌজায় আগমন করিয়াছেন তাহার গ্রুপ লিডার কে ছিলেন? এই পার্বত্য এলাকায় পুনর্বাসিত প্রজাগণ জীবন-জীবিকার তাগিদে আয় বর্ধক কাজে নিয়োজিত থাকেন। ক্বারী ওছমান গণির আয়ের মূল পেশা কি? এই ক্বারী ওসমান গণি খাগড়াছড়িতে আসিয়া নুরানী গার্লস একাডেমীর জন্য খাগড়াছড়ির শালবন এলাকায় ২৬২নং গোলাবাড়ী মৌজায় জনবসতি থাকার পরও প্রতিষ্ঠানের নামে ২.০০ (দুই) একর ৩য় শ্রেণীর জমি বন্দোবস্তি পাওয়ার জন্য তৎকালীন জেলা প্রশাসকের কার্যালয় খাগড়াছড়ি হইতে মৌজা প্রধানের প্রতিবেদন ব্যতিরেকেই আবেদন দাখিল করিলে বন্দোবস্তি মামলা নং- ১৪২/৯৯ রুজু করা হইয়াছে।যাহার রেজিঃ ভন্ড নং- ৯০/২০০০ তারিখ ২৫/০১/২০০০ খ্রি. এর মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রেজিষ্ট্রেশন সম্পাদনের পর ৫৭৩নং হোল্ডিং সৃজন হইয়াছে তথা হইতেই ক্বারী ওছমান গণি নুরানী গার্লস একাডেমীর পরিচালক হিসেবে নিজেকে জাহির করিয়া বেড়াইতেছেন। ক্বারী ওছমান গণি ২০০০ইং সালে নুরানী গার্লস একাডেমীর নামে জমি বন্দোবস্তি প্রাপ্ত হইলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, খাগড়াছড়ি ক্বারী ওছমান গণির বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে সি.আর- ৪৭/০২ মামলা দাখিল করিলে সেই মামলায় ক্বারী ওছমান গণির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় অর্থ দন্ডসহ ০২ (দুই) বছরের সাজা প্রদান করা হইয়াছিল। সাজার আদেশের প্রেক্ষিতে ক্বারী ওছমান গণি ফৌজদারী আপীল মামলা নং- ০৫/০৩ মূলে জামিনে মুক্তি পাইয়া অবশেষে প্রায় ২২ (বাইশ বছর) পর বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালত, খাগড়াছড়ি হইতে ফেব্রেুয়ারি/২৫ মাসে আপীল মঞ্জুরীর মাধ্যমে অব্যাহতি পাইয়াছে। কিš‘ অপরাধ কি নিঃশেষ হইয়াছে? নুরানী গার্লস একাডেমীর নামে বন্দোবস্তি সম্পাদনের পর হইতে ”অদ্যাবধিও শালবন এলাকায় ৫৭৩নং হোল্ডিংয়ে নুরানী গার্লস একাডেমীর প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম চালু করা হয় নাই। বিগত ২০১৮ইং সালে জনাব হাজী ছালেহ আহমদকে সভাপতি বানাইয়া তাহার পরিবার সদস্যসহ মনোনীত ব্যাক্তিদের দ¦ারা কমিটি গঠন করিয়া নামজারী মামলা নং- ১০০৬/সদর/১৮ ক্রেতা মোঃ আমজাদ হোসেন (ড্রাইভার জেলাপুল), পিতা- অন্তর আলী, ২। নামজারী মামলা নং- ১০০৭/সদর/১৮ ক্রেতা- আঃ গণি, পিতা- মৃত সাখাওয়াত হোসেন গংদের নামজারী মামলা এডিসি জনাব চাহেল তস্তরী মহোদয় খারিজ করিয়াছেন। তারপরও ধূর্ত ক্বারী ওছমান গণি নামজারী মামলা নং- ৫৫১/সদর/২০, ৭৩৪, ৭৩৫, ৯১৭ ও ৯১৮/সদর/২০ মূলে ক্রেতা জনাব নুরুল্লাহ্ হিরু, মোতালেব হোসেন মিন্টু, ইয়ার হোসেনসহ আরও অনেকের নামজারী মামলা দাখিল করিয়া কাজ শেষ করিতে না পারিয়া আবারও নতুন কমিটি গঠন করিয়া পূর্বের অনিষ্পন্নক...ত নামজারী মামলা নং- ১০০৭/সদর/১৮ এর তথ্য গোপন রাখিয়া নামজারী মামলা নং- ৯৬১/সদর/২৫ মূলে গত ২১/৪/২৬ খ্রি. তারিখে আঃ গনি, পিতা- মৃত সাখাওয়াত হোসেন এর অনুকূলে রেজিষ্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পাদন করিয়াছে, বন্ড নং- ৪৪৩/২৬, জমির পরিমাণ- ০.১০ শতক। উল্লেখ্য যে, একই ক্রেতার নামজারী মামলা নং- ১০০৭/সদর/১৮ কোথায় ? প্রথম কর্ত...পক্ষ এই অনিয়ম পরখ করিতে পারেন নাই কেন? ইহার মূল কুশীলব কে? নুরানী গার্লস একাডেমীর গঠনতন্ত্রে একাডেমীর জমি বিক্রয়ের কোন অনুমোদন আছে কিনা- একাডেমীর নামে বন্দোবস্তি দাতা কত...পক্ষের কোন অনুমোদন না থাকিলে নুরানী গার্লস একাডেমীর বর্তমান কার্যক্রম কীভাবে চলে?” আশা করি বন্দোবস্তি দাতা কর্ত...পক্ষ নুরানী গার্লস একাডেমীর নিয়ন্ত্রণ গ্রহন করিবেন।